ঠিক কোন উপায়ে ক্ষমতা-র প্রয়োজন-কে শাসিতের নিজের প্রয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়! ক্ষমতা-র তৈরি শাসনবিধিকে, স্বশাসিত অনুশাসন হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়! আতংক তৈরির চক্রান্ত-কে লুকিয়ে ফেলার সব থেকে ভালো উপায় হতে পারে, আতংকিত না হওয়ার যে কোন ভাষ্য-কে চক্রান্ত বলে দাগিয়ে দেওয়া।
(এই রচনাটি জুন ৫, ২০২১-এ ‘মেইনস্ট্রিম’ পত্রিকায় প্রকাশিত, কোবাড ঘান্দির প্রবন্ধ, ‘Origins of Corona and the Conspiracy Theorists’ -এর অনুসরণে লিখিত)
নতুন পণ্য। খদ্দের ব্যক্তি হতে পারে বা রাষ্ট্র। ব্যক্তি-কে টিকা-র নগদ মূল্য দিতে হচ্ছে না মানে, এই নয়, কেউ খয়রাতিতে টিকা দিচ্ছে। টিকার দাম দেওয়া হচ্ছে করদাতাদের টাকা থেকেই। টিকার বাজার সম্প্রসারণের একমাত্র উপায় ভয়টাকে বাঁচিয়ে রাখা। আগের ভয়টা কমে এলে নতুন করে ভয় দেখানোর জন্য নতুন ভ্যারিয়েন্ট।
ঠিক কোন উপায়ে ক্ষমতা-র প্রয়োজন-কে শাসিতের নিজের প্রয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়! ক্ষমতা-র তৈরি শাসনবিধিকে, স্বশাসিত অনুশাসন হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়! আতংক তৈরির চক্রান্ত-কে লুকিয়ে ফেলার সব থেকে ভালো উপায় হতে পারে, আতংকিত না হওয়ার যে কোন ভাষ্য-কে চক্রান্ত বলে দাগিয়ে দেওয়া।
(এই রচনাটি জুন ৫, ২০২১-এ ‘মেইনস্ট্রিম’ পত্রিকায় প্রকাশিত, কোবাড ঘান্দির প্রবন্ধ, ‘Origins of Corona and the Conspiracy Theorists’ -এর অনুসরণে লিখিত)
ঠিক কোন উপায়ে ক্ষমতা-র প্রয়োজন-কে শাসিতের নিজের প্রয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়! ক্ষমতা-র তৈরি শাসনবিধিকে, স্বশাসিত অনুশাসন হিসেবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়! আতংক তৈরির চক্রান্ত-কে লুকিয়ে ফেলার সব থেকে ভালো উপায় হতে পারে, আতংকিত না হওয়ার যে কোন ভাষ্য-কে চক্রান্ত বলে দাগিয়ে দেওয়া।
(এই রচনাটি জুন ৫, ২০২১-এ ‘মেইনস্ট্রিম’ পত্রিকায় প্রকাশিত, কোবাড ঘান্দির প্রবন্ধ, ‘Origins of Corona and the Conspiracy Theorists’ -এর অনুসরণে লিখিত)
আমরা লক্ষ করছি যে, একটি নির্দিষ্ট রোগের জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত পদক্ষেপ নিতে গিয়ে সমগ্র স্বাস্থ্য পরিষেবাই এখন বিপর্যয়ের মুখে। আমরা এই একপেশে ও বিপজ্জনক দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধিতা করি। শরীরের ওপর নিজেদের অধিকার সমেত যেসব মৌলিক অধিকার বর্তমান সংবিধান আমাদের দিয়েছে আমরা তাতুলে ধরতে চাই। তাই আমরা যে কোনো ধরনের বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্যবিধি প্রবর্তনের বিরোধিতা করি। আমরা এও বিশ্বাস করি যে, মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপন আমাদের অধিকার এবং তাকে কোনো বাধ্যতামূলক আইনী ফতোয়া দিয়ে হরণ করা যায় না।
আমরা আপনার কাছে/আপনার সংগঠনের কাছে আবেদন জানাই, একটি সাধারণ ন্যূনতম কর্মসূচী (common minimum agenda ) গ্রহণের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধহোন এবং এই অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক, এবং অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী স্বর তুলে ধরুন।
আমাদের সংস্থার নাম, “গ্লোবাল র্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর পাবলিক হেলথ” বা সংক্ষেপে, “গ্রাফ”। বিশ্বপুঁজির মতিগতি এবং জনস্বাস্থ্যের বিজ্ঞান নিয়ে এই সংস্থার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে; কিন্তু একইসঙ্গে নানাবিধ সংগঠনের মধ্যে এই সংস্থা একটি মৈত্রীবন্ধনের কাজ করবে। বিজ্ঞান মঞ্চ, অধিকার মঞ্চ, চিকিৎসকদের সংগঠন, কর্মচারী ও মজুরদের সংগঠন, অর্থনীতিবিদ, রাজনৈতিক কর্মী, ইতিহাসবিদ ইত্যাদি সকলের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করতে চাই। অন্যান্য সংগঠন বা এমনকী, ব্যক্তিবিশেষ সর্ববিষয়ে সর্বক্ষণ আমাদের সঙ্গে সহমত হবেন, এমন দাবি আমরা করি না। কিন্তু এক-একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে, এক-একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে সকলে সহমত হতে পারবেন, এমন আশা করি।
কোনও হুমকির সামনেও, আমি আমার ডাক্তারি বিদ্যাকে এমনভাবে ব্যবহার করব না যাতে নাগরিক স্বাধীনতা আর জনমানুষের অধিকার লঙ্ঘিত হয়” – হিপোক্রেটিসের শপথের অংশ, ডাক্তারদের শপথের অংশ। তাই অতিমারীর ঝঞ্ঝার মধ্যে গণ টিকাকরণ কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, “লকডাউন” কার সর্বনাশ ডেকে আনে, আর কার পৌষ মাস, এই প্রশ্ন ন্যায্য। অতিমারী কি প্রকৃতির স্বাভাবিক সৃষ্টি, না কোনও গবেষণাগারের কৃত্রিম নির্মাণ, “কোভিড”-এ ভোগান্তি আর মৃত্যুর চেয়ে অনাহারের বিপন্নতা আর মৃত্যু মহীয়ান কিনা, এসব কথা তুলতেই হবে।
টিকা নিয়ে জনসাধারণের সংশয় দূর করতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের নিদান, যার দায় নাকি আবার ফোরাম নেবে না, নেহাতই লেখকদের ওপর বর্তাবে। রাষ্ট্র নির্দ্দেশিত বিজ্ঞানের প্রতি আস্থা তৈরির জন্য এই বিজ্ঞাপনী উদ্যোগ কি আদৌ ভরসা যোগায়? নাকি রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগের ভয় তৈরি করে?
সব শুরুরই একটা শুরু থাকে। এই অতিমারীর সময়ের শুরুটা খুঁজতে গিয়ে ক্রমশঃ পিছিয়ে যেতে হচ্ছে। এক বছর, এক বছর করে এক দশক। এক দশকের এই ঘটনাপরম্পরা পুরোটাই কি কিছু আকস্মিকতার সমাহার! এত সমাপতনও সম্ভব?
বিজ্ঞান গবেষনা এবং চিকিৎসা কি এখনো সমাজমুখীন, তা কি জনমানুষের হিতাকাঙ্খী ? নাকি সে আজ এক অতি লাভজনক ইন্ডাস্ট্রীর অচলায়তন ? এই অচলায়তনের ভেতরে কি মানুষের কথা পৌছয় ? অতিমারীর দাওয়াই হিসেবে যে নিদান দেওয়া হচ্ছে, যেমন ভ্যাক্সিন, তা এই অতিমারীকেই আরো দীর্ঘায়িত করছে কি না এই প্রশ্ন কি এই ইন্ডাস্ট্রীর ভেতরে উঠছে ? বেশ কিছু গবেষণাপত্রের চুলচেরা বিশ্লেষন করে এই প্রশ্নগুলো সামনে উঠিয়ে এনেছেন লেখক।