১। গ্রাফ একটা এল্যায়েন্স হিসেবে তৈরী হোক। গ্রাফ এ আসুন ব্যক্তি বিশেষ। ব্যক্তি হিসেবে। বিভিন্ন সংগঠন থেকেও সেই সংগঠন এর সদস্যেরা ব্যক্তি হিসেবে গ্রাফ এ আসুন। গ্রাফ এর মধ্যে তাদের ভূমিকা ব্যক্তিগত হবে না তাদের সংগঠন এর অনুসারী হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত তারাই নিন।
২। গ্রাফ এর কাজ পরিচালনার জন্য তৈরী হোক -
ক। ওয়েবসাইট এবং সামাজিক মাধ্যমএর টীম
খ। আইনী সহায়তার টীম
গ। রিসার্চ টীম
ঘ। লিয়াজোর দ্বায়িত্ব
ঙ। ফাণ্ড এর দায়িত্ব
ছ। প্রচার ব্যবস্থাপনার টীম
৪। গ্রাফ এর কার্য্যনির্বাহী কমিটি তৈরী হোক সাধারণ সভ্যদের মধ্যে থেকে, গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে।
গ্রাফ এর একটা নতুন ওয়াটস এ্যাপ গ্রুপ তৈরী হোক, তাতে শুধু গ্রাফ এর সদস্যরা থাকবেন। সেটা হবে গ্রাফ এর সর্বক্ষনের অধিবেশন। সেখানে গ্রাফ এর কর্মসূচীর যেকোনও বিষয়ই আলোচনা হতে পারে, সবসময়। কিন্তু সেটা সভার আলোচনার মতো হতে হবে। গ্রাফ এর আলোচ্য বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ে পোস্ট করা হলে, গ্রুপের এ্যডমিন সেটা ডিলিট করে দিতে পারবেন। এ্যডমিন একজনই থাকবেন। এই গ্রুপকে ' ফরোয়ার্ড ব্লক ' করা চলবে না।
এছাড়া, যে বিষয়ে সামনা সামনি আলোচনা হতে হবে, সেক্ষেত্রে সাধারণ সভা বা কমিটির বিশেষ সভা ডাকা যেতে পারে।
গ্রাফ এর সদস্য হওয়ার ন্যূনতম শর্ত হোক এরকম -
১। গ্রাফ এর উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচির এবং এই কর্মপদ্ধতির সঙ্গে সহমত হবেন এবং থাকবেন যিনি
২। গ্রাফ এর নির্ধারিত ন্যূনতম চাদা দেবেন যিনি ( কোনও সদস্যের আবেদন ক্রমে এবং গ্রাফ এর সাধারণ সভার মতামত ক্রমে এই চাদা মকুব হতে পারে)
৩। গ্রাফ এর যেকোনো সভায় সিদ্ধান্ত হওয়া নির্ধারিত কাজ করতে সক্ষম যিনি (কোনও সদস্যের কাজ নির্ধারণ করা তার অনুমতি সাপেক্ষে হতে হবে; কোনও সদস্য দীর্ঘদিন কোনো কাজের মধ্যে না থাকলে সে বিষয়ে সাধারণ সভায় আলোচনা হবে)
৪। গ্রাফ এর কোনও সদস্যকে বহিস্কার করতে গেলে বা অন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গেলে কোনও সদস্যের করা অভিযোগ এর ভিত্তিতে সাধারণ সভার বেশিরভাগ সদস্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে। কোনও কমিটির সদস্যের ক্ষেত্রেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে, গ্রাফ এর দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিরা গ্রাফ এর কার্য্যনির্বাহী কমিটির সম্মিলিত সিদ্ধান্তের অধীন। তেমন, গ্রাফ এর কার্য্যনির্বাহী কমিটি গ্রাফ এর সাধারণ সভ্যদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের অধীন।
কার্য্যনির্বাহের ক্ষেত্রে এবং কাজের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে, সাধারণ সভ্যরা গ্রাফ এর কার্য্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে কাজ করবেন, এবং কার্য্যনির্বাহী কমিটি দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তির নেতৃত্বে কাজ করবে।
কোনো টীমের সিদ্ধান্ত কমিটিতে গনতান্ত্রিক ভাবে নেওয়া হবে। কিন্তু কার্য্যনির্বাহ হবে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তির নেতৃত্বে।
কমিটির মিটিং ডাকবেন সেই কমিটির দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি। কার্য্য নির্বাহী কমিটির ক্ষেত্রে সভাপতি । অন্য যে কোনো সদস্য মিটিং ডাকা প্রয়োজন মনে করলে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি বা সভাপতির মাধ্যমে মিটিংয়ে ডাকতে পারেন। দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি বা সভাপতি অস্বীকার করলে সদস্য নিজেই মিটিং এর নোটিস দিতে পারেন।
যে কোনো মিটিংয়ের এজেন্ডা আগে থেকে সব সদস্যদের জানাতে হবে। মিটিংয়ে প্রতি এজেন্ডা এবং প্রতি এজেন্ডার প্রতি সাব এজেন্ডায়, প্রতি সদস্যকে মতামত জানাতে বলা হবে। এটা সভার সভাপতির দ্বায়িত্ব থাকবে। কাজের সিদ্ধান্ত সংখ্যাগুরুর মতানুযায়ী হবে, কিন্তু সংখ্যালঘু তার মতের পক্ষে সংগঠন এর ভেতরে বিতর্ক জারি রাখতে পারবেন।
প্রতি মিটিংয়ে একজন সভাপতি থাকবেন এবং মিটিং শাসনের ভার তার হাতে থাকবে। মিটিংয়ে আউট অফ টার্ণ কেউ কথা বলবেন না। একজন এর বলা কথা আবার কেউ বলবেন না। সমর্থন দেবেন। অথবা বিরোধিতা করবেন।
প্রতি মিটিংয়ে মিটিংয়ের মিনিটস রেকর্ড করার দ্বায়িত্ব মিটিংয়ে উপস্থিত একজন কে নিতে হবে।
প্রতি মিটিংয়ের মিনিটস, আর্কাইভ করার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যের কাছে জমা থাকবে।